- বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। সেক্যুলার, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল রাজনীতির মূলধারা আওয়ামী লীগ। এ দলই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদান করে। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার এক বছর ১০ মাসের মধ্যে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কেএম দাস লেনের 'রোজ গার্ডেনে' (প্রাইভেট বাড়ি) অনুষ্ঠিত এক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এর নামকরণ করা হয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ'।আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার কাহিনী বঙ্গবন্ধু এভাবে বর্ণনা করেন :...পুরানা লীগ কর্মীরা মিলে এক কর্মী সম্মেলন ডাকল ঢাকায়_ ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করার জন্য। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সে সভা আহ্বান করা হয়েছিল... আমরা জেলে বসে সে খবর পাই...। আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, আমার মত নেওয়ার জন্য। আমি খবর দিলাম, 'আর মুসলিম লীগের পেছনে ঘুরে লাভ নাই, এ প্রতিষ্ঠান এখন গণবিচ্ছিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এরা আমাদের... নিতে চাইলেও যাওয়া উচিত হবে না। কারণ এরা কোটারি করে ফেলেছে। একে আর জনগণের প্রতিষ্ঠান বলা চলে না। এদের কোন কর্মপন্থাও নাই।' আমাকে আরও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমি ছাত্র প্রতিষ্ঠান করব, না রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন হলে তাতে যোগদান করব? আমি উত্তর পাঠিয়েছিলাম, ছাত্ররাজনীতি আমি করব না, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানই করব। কারণ বিরোধী দল সৃষ্টি করতে না পারলে এ দেশে একনায়কত্ব চলবে... সকলেই একমত হয়ে নতুন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন করলেন; তার নাম দেওয়া হলো, 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী [মুসলিম] লীগ।' মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং আমাকে করা হলো জয়েন্ট সেক্রেটারি। খবরের কাগজে দেখলাম, আমার নামের পাশে লেখা আছে, 'নিরাপত্তা বন্দি'।জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শে বিশ্বাসী ছিল। নামের সঙ্গে 'মুসলিম' শব্দ যুক্ত করাটা ছিল কৌশলমাত্র। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত তৃতীয় কাউন্সিল সভায় দলের নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সবার জন্য এর দ্বার খুলে দেওয়া হয়। তখন বঙ্গবন্ধু ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক।১৯৫৭ সালে বৈদেশিক নীতিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে দলটি মারাত্মক সাংগঠনিক সংকটের সম্মুখীন হয়। সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী মূলত পাকিস্তানের বৈদেশিক নীতিকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত পোষণ করেন। সোহরাওয়ার্দী পাশ্চাত্যের সঙ্গে, বিশেষ করে আমেরিকার সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের পক্ষপাতী হলেও ভাসানী জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের পক্ষে মত দেন। পরিণামে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নামে একটি নতুন দল জন্মলাভ করে এবং মওলানা ভাসানী এই দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।জেনারেল আইয়ুবের স্বৈরাচারী শাসনামলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত সংগ্রামের প্রধান দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের প্রধান নেতা হন। ১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি তাঁর ধানমণ্ডির বাসভবনে কেন্দ্রীয় সদস্যদের সভায় তিনি আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করেন।১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক 'ছয় দফা কর্মসূচি' উপস্থাপন করেন।১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ ঢাকার ইডেন হোটেলে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি অনুমোদন করিয়ে নিতে সমর্থ হন। তিনি দলের সভাপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৮ সালে কারাবন্দি অবস্থায় বঙ্গবন্ধু ও অপর ৩৪ জন বাঙালি সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলার বিরুদ্ধে বাঙালিদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। শুরু হয় দেশজুড়ে গণআন্দোলন, পরিণতিতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। আইয়ুব খান ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।১৯৭০ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় আইন পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৬২টি আঞ্চলিক আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে। পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। কিন্তু আওয়ামী লীগকে সরকার গঠনের আহ্বানের পরিবর্তে ইয়াহিয়া খানের সামরিক জান্তা নির্বাচনের রায় বাতিল ও বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করার জন্য সামরিক বাহিনী তলব করে। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি ঘোষণা করেন : 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম; এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।'১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে ঢাকাসহ পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সশস্ত্র আক্রমণের ফলে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পাকিস্তানের উদ্ভূত রাজনৈতিক সংকট নিরসনের সব পথ রুদ্ধ হয়ে পড়ে। ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রত্যুষে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরাসরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করেন, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে।স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোর মধ্যে ছিল : ১০ মাসের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য একটি ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংবিধান প্রণয়ন (১৯৭২); মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানো; নতুন প্রজাতন্ত্রের জন্য বিশ্বের ১৪০টি দেশের স্বীকৃতি লাভ; ভারতে আশ্রয় নেওয়া এক কোটি শরণার্থী এবং যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্য ও তাদের দোসরদের দ্বারা সম্ভ্রম হারানো প্রায় তিন লাখ নারীর পুনর্বাসন ইত্যাদি। স্বাধীনতা লাভের ১৫ মাসের মধ্যে নতুন সংবিধান অনুসারে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান (৭ মার্চ ১৯৭৩) ছিল আওয়ামী লীগের বড় অর্জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন লাভের মধ্য দিয়ে বিপুল বিজয় অর্জন করে।এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু অধস্তন সামরিক কর্মকর্তা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের উপস্থিত সব সদস্যকে হত্যা করে। ৩ নভেম্বর ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় আওয়ামী লীগের চার শীর্ষ জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে হত্যা করা হয়।সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের প্রথমদিকে ১৫ দলীয় ঐক্যজোট গঠন করে। সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলনের চাপে এরশাদ ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা দিতে বাধ্য হন। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নতুন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে (৩০০টি আসনের মধ্যে ১৪০টি এবং ৩০.৮১ শতাংশ ভোট) সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী দলগুলো বেশি ভোট পেলেও (৩৪.২৯ শতাংশ), আসন লাভ করে কম (১০০টি)।১৯৯৬ সালের ১২ জুন বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে। বঙ্গবন্ধু হত্যার ২১ বছর পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও সমমনা দল নিয়ে গঠিত মহাজোট বিপুল বিজয় অর্জন করে। নির্বাচন উপলক্ষে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' নামে পরিচিত তথ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিনির্ভর একটি সুবিস্তৃত 'দিনবদলের সনদ' বা 'ভিশন-২০২১' কর্মসূচি পেশ করেন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠিত হয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো হচ্ছে : বিচার বিভাগের চূড়ান্ত রায় অনুসারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঁচ হত্যাকারীর বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসির রায় কার্যকর করা; ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা; ধর্মীয় জঙ্গিসহ অন্য জঙ্গিদের কঠোর হস্তে দমন করা; সর্বজন গ্রহণযোগ্য জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন; উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূলধারা পুনরুজ্জীবিত ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান বাতিল করা ইত্যাদি।১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত ৬৮ বছরের বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাস আওয়ামী লীগের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আমাদের জাতীয় মুক্তি বা স্বাধীনতা দিয়েছে, স্বাধীন দেশের সংবিধান দিয়েছে। আর বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেনাশাসন থেকে দেশকে উদ্ধার করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশ পরিচালনার নীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন; মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনার ধারায় দেশ ও জনগণকে ফিরিয়ে এনেছেন; জাতিকে উন্নয়নের ভিশন দেখিয়েছেন; দেশে ও বিদেশে একটি দ্রুত উন্নয়নগামী, ডেমোক্রেটিক, সেক্যুলার রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন।
কাজী মনিরুল ইসলাম মনু একজন সফল রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব,সৎ আদর্শবান বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানার সভাপতি ৫ আসনের প্রিয়মুখ জনাব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু তাছাড়া জনাব মনু তিন তিনবার সফল ওয়ার্ড কমিশনার। অনেকেই ক্ষমতায় থাকলে অসৎ পন্থায় টাকার পাহার করে তুলেন, সন্ত্রাস চাদাবাজী ভূমিদূষ্য সহনানান অপকর্মে যুক্ত হয় কিন্তু অসৎতের কাছে কখনো মাথা নত করেননী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু । ভাল মানুষ হিসাবে তার সুখ্যাতি পরিচিতি রয়েছে এই পরিচিতি নিয়েই মানুষের ভালবাসায় বাকি জীবন পথ চলতে চান
সোমবার, ১৯ জুন, ২০১৭
বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
-
কিছু মুসলিম দেশে র জাতির পিতা দের সংক্ষিপ্ত নামের তালিকা । যেমনঃ - পাকিস্থানের জাতির পিতা – মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ , এক সময় জামাত...
-
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। সেক্যুলার, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল রাজনীতির মূলধারা আওয়ামী লীগ। এ দলই বাংলা...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন